সাম্প্রতিক প্রশ্ন সমুহ

avatar
+২ টি ভোট
সহমৌলিক সংখ্যা কাকে বলে?

দুইটি সংখ্যার সাধারণ গুণনীয়ক শুধু ১ হলে সংখ্যাগুলো পরস্পর সহমৌলিক।


উদাহরণস্বরূপ, ৫ এবং 12, এদের মধ্যে ১ ছাড়া কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই। সুতরাং, ৫ ও 12 পরস্পর সহমৌলিক।


দুইটি মৌলিক সংখ্যা সর্বদা সহ-মৌলিক হবে। এছাড়া একটি মৌলিক সংখ্যা এবং একটি যৌগিক সংখ্যা ও সহ-মৌলিক হতে পারে। যেমনঃ ৭ এবং ১২। দুইটি যৌগিক সংখ্যা অথবা একটি জোড় অপরটি বিজোড় সংখ্যা হলেও সহ-মৌলিক হতে পারে। যেমনঃ ৮ এবং ৯। দুইটি জোড় সংখ্যা হলে তাদের মধ্যে সাধারণ উৎপাদক ২ থাকবে যা সহ-মৌলিক হবে না।


অর্থাৎ সহ-মৌলিক সংখ্যাদ্বয় ভিন্ন দুইটি সংখ্যা হলেও তারা একই সাথে একটি মৌলিক সংখ্যার মত আচরণ করে।


সহমৌলিক সংখ্যার কিছু সাধারণ উদাহরণ হল:

  • ৫ এবং ৭
  • ১১ এবং ১৩
  • ২ এবং ৯
  • ৩ এবং ৮
  • ৫ এবং ১২
avatar
+২ টি ভোট
মূলদ সংখ্যা কাকে বলে?

মূলদ সংখ্যা হল সেসব বাস্তব সংখ্যা যাদেরকে দুটি পূর্ণ সংখ্যার অনুপাত হিসেবে (শূন্য দিয়ে ভাগ করা ছাড়া) প্রকাশ করা যায়। মূলদ সংখ্যাকে দশমিক আকারেও প্রকাশ করা যায় এবং তা হয় সসীম ঘর দশমিক (যেমন: ১.২৯, ৫.৬৯৮৭, ৮.৯৭৯৮৭) অথবা পৌনঃপুনিক (recurrent) দশমিক (যেমন: ১.৬৩৬৩৬৩৬৩৬৩, ৪.৬৯৬৯৬৯৬৯৬৯, . ১০১১০১১০১১০১)।


মূলদ সংখ্যার সংজ্ঞাটি নিম্নরূপ:


কোন বাস্তব সংখ্যা p/q, যেখানে p এবং q উভয় পূর্ণ সংখ্যা, p ও q সহমৌলিক সংখ্যা এবং q ≠ 0, তাহলে p/q একটি মূলদ সংখ্যা।


উদাহরণস্বরূপ, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ... ইত্যাদি সবই মূলদ সংখ্যা।


অমূলদ সংখ্যা হল সেসব বাস্তব সংখ্যা যাদেরকে দুটি পূর্ণ সংখ্যার অনুপাত হিসেবে প্রকাশ করা যায় না। অমূলদ সংখ্যার উদাহরণ হল পাই (π), ইর‍্যাটনেন্স (e), √2, √3, ... ইত্যাদি।


মূলদ সংখ্যাসমূহকে ℚ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।

avatar
+২ টি ভোট
সেলসিয়াস এবং ফারেনহাইটের আগে ডিগ্রী লেখা হয় কিন্তু কেলভিনের আগে লেখা হয়না কেন?

কেলভিন তাপমাত্রা স্কেলে ডিগ্রীতে পরিমাপ করা হয় না, কারণ এটি একটি পরম স্কেল। পরম স্কেলে, শূন্য বিন্দু হল তাপমাত্রার সর্বনিম্ন সম্ভাব্য মান। কেলভিন স্কেলে, শূন্য বিন্দু হল -273.15 ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ এই স্কেলে তাপমাত্রা শূন্যের নিচে যেতে পারেনা।


অপরদিকে সেলসিয়াস এবং ফারেনহাইট তাপমাত্রা স্কেলগুলিকে ডিগ্রীতে পরিমাপ করার কারণ হল তারা উভয়ই একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বিন্দুকে বেজ করে পরিমাপ করে, যেমন বরফের গলনাঙ্ক বা জলের স্ফুটনাঙ্ক। সেলসিয়াস স্কেলে, বরফের গলনাঙ্ক 0 ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং জলের স্ফুটনাঙ্ক 100 ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফারেনহাইট স্কেলে, বরফের গলনাঙ্ক 32 ডিগ্রি ফারেনহাইট এবং জলের স্ফুটনাঙ্ক 212 ডিগ্রি ফারেনহাইট।


সেলসিয়াস এবং ফারেনহাইট স্কেলে ডিগ্রী ব্যবহারের আরেকটি কারণ হলো এটি ইন্ডিকেট করে যে এসব স্কেলে তাপমাত্রার মান নেগেটিভ হতে পারে।


মজার বিষয় হল, 1968 সালের আগে, ডিগ্রি চিহ্ন ("°") কেলভিনের সাথে ব্যবহার করা হত। ওজন এবং পরিমাপের সাধারণ সম্মেলন (General Conference on Weights and Measures - CGPM) কেলভিন একক থেকে ডিগ্রী অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে কেলভিনকে তাপগতিগত তাপমাত্রার জন্য স্বতন্ত্র একক হিসাবে স্বীকৃতি দেয়।

avatar
+৩ টি ভোট
বেলুনে হাইড্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয়না কেন?
আমরা জানি বেলুনে হালকা গ্যাস হিসেবে হিলিয়াম গ্যাস ব্যবহার করা হয়। কেননা এটা সাধারণ বায়ুর থেকে হালকা। আমার প্রশ্ন হচ্ছে হাইড্রোজেন হিলিয়াম এর থেকে হালকা হওয়া সত্বেও বেলুনে ব্যবহার করা হয়না কেন?
avatar
+২ টি ভোট
গোলকের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র কি?

গোলকের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হল:

S = 4πr²


যেখানে:

  • S হল গোলকের ক্ষেত্রফল
  • π হল পাই ধ্রুবক, যার মান প্রায় 3.14159
  • r হল গোলকের ব্যাসার্ধ


এই সূত্রটি প্রথম আর্কিমিডিস দ্বারা আবিষ্কৃত হয়েছিল। তিনি দেখিয়েছিলেন যে একটি গোলকের ক্ষেত্রফল চারটি বৃত্তের ক্ষেত্রফলের সমান, যেখানে প্রতিটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ গোলকের ব্যাসার্ধের সমান।


গোলকের ক্ষেত্রফলের সূত্রটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, এটি একটি গোলকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে ব্যবহার করা যেতে পারে, বা একটি গোলাকার বস্তুকে রং করতে প্রয়োজনীয় রঙের পরিমাণ নির্ণয় করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

avatar
+২ টি ভোট
এক গ্যালন সমান কত লিটার?

মূলত, গ্যালন একটি ব্রিটিশ পরিমাপ পদ্ধতি। গ্যালন দু'ধরনের হয়ে থাকে: ইম্পেরিয়াল গ্যালন এবং মার্কিন (ইউএস) গ্যালন।


ইম্পেরিয়াল গ্যালন

এক ইম্পেরিয়াল গ্যালন সমান ৪.৫৪৬০৯ লিটার। এই গ্যালনটি মূলত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা দেশগুলিতে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ইত্যাদি দেশে ইম্পেরিয়াল গ্যালন ব্যবহৃত হয়।


মার্কিন (ইউএস) গ্যালন

এক মার্কিন গ্যালন সমান ৩.৭৮৫৪১১৭৮৪ লিটার। এই গ্যালনটি মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার কিছু প্রতিবেশী দেশে ব্যবহৃত হয়।


উদাহরণস্বরূপ, ১০ গ্যালন ইম্পেরিয়াল সমান ৪৫.৪৬০৯ লিটার, যেখানে ১০ গ্যালন মার্কিন সমান ৩৭.৮৫৪১১৭৮৪ লিটার।


গ্যালন থেকে লিটার রূপান্তর সূত্র


ইম্পেরিয়াল গ্যালন থেকে লিটার

গ্যালন × ৪.৫৪৬০৯ = লিটার


মার্কিন গ্যালন থেকে লিটার

গ্যালন × ৩.৭৮৫৪১১৭৮৪ = লিটার
avatar
+২ টি ভোট
বিন্দুর ভুজ এবং কোটি কাকে বলে? (x, y) এর মধ্যে কোনটি কোটি এবং কোনটি ভূজ?
ভুজ হলো একটি বিন্দুর x-অক্ষ বরাবর দূরত্ব এবং কোটি হলো একটি বিন্দুর y-অক্ষ বরাবর দূরত্ব।

সমতলে একটি বিন্দুর অবস্থান নির্ণয়ের জন্য x-অক্ষ এবং y-অক্ষ নামে দুটি ঋজু অক্ষকে পরস্পরকে 90 ডিগ্রি কোণে ছেদ করা হয়। এই অক্ষ দুটিকে কার্টেসিয়ান অক্ষ বলা হয়।

কোনো বিন্দুকে এই অক্ষ দুটিতে ছেদ করে যে দুটি রেখাংশ উৎপন্ন হয়, সে দুটি রেখাংশকে বিন্দুর স্থানাঙ্ক বলা হয়।

একটি বিন্দুর স্থানাঙ্ককে (x, y) দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যেখানে x হলো বিন্দুর x-অক্ষ বরাবর দূরত্ব (ভুজ) এবং y হলো বিন্দুর y-অক্ষ বরাবর দূরত্ব (কোটি)।

উদাহরণস্বরূপ, (3, 4) স্থানাঙ্কবিশিষ্ট একটি বিন্দু x-অক্ষ বরাবর 3 একক এবং y-অক্ষ বরাবর 4 একক দূরত্বে অবস্থিত। সুতরাং (3, 4) বিন্দুর ভুজ হল 3 এবং কোটি হল 4

কোটি এবং ভুজ উভয়ই ধনাত্মক বা ঋণাত্মক হতে পারে।

কোটি এবং ভুজের সাহায্যে একটি বিন্দুর অবস্থান নির্ণয় করা যায়।
avatar
+২ টি ভোট
S.T.P বলতে কি বুঝায়? এর মান কত?

S.T.P এর পূর্ণরূপ হল Standard Temperature and Pressure। বাংলায় একে প্রমাণ উষ্ণতা/তাপমাত্রা ও চাপ বলা হয়। S.T.P হল এমন একটি মান যাতে গ্যাসের আচরণকে আদর্শ গ্যাসের আচরণের সাথে তুলনা করা যায়।


S.T.P এর মান গুলো হলঃ

  • তাপমাত্রাঃ 0°C বা 273.15 K
  • চাপঃ 1.013×10⁵Pa বা 1 atm
  • এক মোল গ্যাসের আয়তনঃ 22.414 L


S.T.P-এর মানগুলি নির্ধারণ করা হয়েছে গ্যাসের আচরণের উপর গবেষণার মাধ্যমে। এই মানগুলিতে গ্যাসের আচরণকে আদর্শ গ্যাসের আচরণের সাথে তুলনা করলে, গ্যাসের আচরণের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন সূত্র এবং সমীকরণগুলির সঠিকতা বৃদ্ধি পায়।

avatar
+২ টি ভোট
নিচের কোনটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম?

নিচের কোনটি একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম?

  • ক) মাইক্রোসফট অফিস
  • খ) অ্যাডোব ফটোশপ
  • গ) macos
  • ঘ) মাইক্রোসফট এক্সেল
avatar
+২ টি ভোট
ইনস্ট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার বলতে কি বুঝায়?
ইনস্ট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার হল এমন একটি ট্রান্সফরমার যা বিভিন্ন বৈদ্যুতিক পরিমাপ যন্ত্রের সাথে ব্যবহার করা হয়। এটি উচ্চ ভোল্টেজ, কারেন্ট বা পাওয়ারকে নিরাপদ এবং পরিমাপযোগ্য মাত্রায় পরিবর্তন করে।


ইনস্ট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার দুই ধরনের হয়:

  • টেনশিয়াল ট্রান্সফরমার (PT): এটি ভোল্টেজ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি উচ্চ ভোল্টেজকে নিম্ন ভোল্টেজে পরিবর্তন করে, যা পরিমাপ যন্ত্রের জন্য নিরাপদ।
  • কারেন্ট ট্রান্সফরমার (CT): এটি কারেন্ট পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি উচ্চ কারেন্টকে নিম্ন কারেন্টে পরিবর্তন করে, যা পরিমাপ যন্ত্রের জন্য নিরাপদ।


ইনস্ট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমারগুলির বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • ভোল্টেজ রেটিং: এধরেরন ট্রান্সফরমারের উচ্চ ভোল্টেজ রেটিং থাকে।
  • কারেন্ট রেটিং: এধরনের ট্রান্সফরমারের উচ্চ কারেন্ট রেটিং থাকে।
  • ট্রান্সফরমার রেশিও: এটি ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি ওয়াইন্ডিং মধ্যে ভোল্টেজ বা কারেন্টের অনুপাত।


ইনস্ট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমারগুলি বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে রয়েছে:

  • বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ
  • শিল্প ও বাণিজ্য
  • পরিবহন
  • স্বাস্থ্যসেবা


ইনস্ট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমারগুলির সঠিক ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। এটি নিশ্চিত করতে হবে যে ট্রান্সফর্মারগুলি তাদের নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য এবং রেটিং এর জন্য উপযুক্ত। ট্রান্সফরমারগুলি নিয়মিত পরীক্ষা ও পরিষেবা করা উচিত যাতে তারা নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করতে পারে।

avatar
+২ টি ভোট
হাইড্রোলিক্স কি?

হাইড্রোলিক্স হল তরলের চাপ এবং প্রবাহের বৈশিষ্ট্যগুলির সাথে সম্পর্কিত প্রকৌশল বিজ্ঞানের একটি শাখা। এটি স্থিতিশীল বা গতিশীল অবস্থায় তরল পদার্থের আচরণ এবং ব্যবহার অধ্যয়ন করে। হাইড্রোলিক্সের প্রয়োগগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • জলবিদ্যুৎ উৎপাদন
  • তেল ও গ্যাস উত্তোলন
  • শিল্প প্রক্রিয়াকরণ
  • যানবাহন
  • যন্ত্রপাতি
  • নির্মাণ

হাইড্রোলিক্সের মূলনীতিগুলি নিম্নরূপ:

  • চাপঃ তরলের চাপ হল তরলের স্তরের উচ্চতা এবং তরলের ঘনত্বের উপর নির্ভরশীল।
  • প্রবাহঃ তরলের প্রবাহ হল তরলের একটি নির্দিষ্ট দিকে চলাচলের হার।
  • সান্দ্রতাঃ তরলের সান্দ্রতা হল তরলের আণবিক আকর্ষণের শক্তির পরিমাপ।


হাইড্রোলিক্সের বিভিন্ন অংশগুলো হলো:

  • পাম্পঃ পাম্পগুলি তরলকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে প্রেরণ করে।
  • টারবাইনঃ টারবাইনগুলি তরলের প্রবাহ থেকে শক্তি আহরণ করে।
  • ভালভঃ ভালভগুলি তরলের প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে।
  • সিলিন্ডারঃ সিলিন্ডারগুলি তরলের চাপ ব্যবহার করে বল প্রয়োগ করে।

হাইড্রোলিক্স একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকৌশল বিষয় যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

avatar
+৩ টি ভোট
ডিসি সিরিজ মোটর নো-লোডে ব্যবহার করা হয়না কেন?

ডিসি সিরিজ মোটর নো-লোডে ব্যবহার করা হয় না কারণ এতে লোড না থাকলে মোটরের আবর্তন বেগ খুব বেশি বেড়ে যায়। এতে মোটরের কয়েল ও অন্যান্য অংশের ক্ষতি হতে পারে।


ডিসি সিরিজ মোটরে লোডের সাথে মোটরের আবর্তন বেগের সম্পর্ক নিম্নরূপ:


N = K/I


যেখানে,

  • N = মোটরের আবর্তন বেগ
  • K = একটি ধ্রুবক
  • I = মোটরের গ্রহণ করা কারেন্ট


লোড না থাকলে মোটরের অ্যাম্পিয়ার খুব কম হয়। এতে মোটরের আবর্তন বেগ খুব বেশি বেড়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি লোড না থাকা অবস্থায় মোটরের অ্যাম্পিয়ার 10A হয়, তাহলে মোটরের আবর্তন বেগ হবে:


N = K/I = K/10


যদি K = 1000 হয়, তাহলে মোটরের আবর্তন বেগ হবে 100 RPM। এটি মোটরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।


আবার কারেন্ট 1A হলে বেগ হবে,


N = 1000/I = 1000/1 = 1000 RPM


এছাড়াও, নো-লোডে ডিসি সিরিজ মোটর খুব বেশি শব্দ করে। তাই নো-লোডে ডিসি সিরিজ মোটর ব্যবহার করা হয় না।


নো-লোডে হওয়া দুর্ঘটনা থেকে ডিসি সিরিজ মোটর রক্ষার করার জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি নেওয়া যেতে পারে:

  • লোডের সাথে মোটরকে সংযুক্ত করে রাখা।
  • একটি লোড রেজিস্টর ব্যবহার করে মোটরের অ্যাম্পিয়ার নিয়ন্ত্রণ করা।
  • একটি থার্মোস্ট্যাট ব্যবহার করে মোটরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা।
avatar
+২ টি ভোট
ট্রান্সফরমার কি? ট্রান্সফরমার কাকে বলে?

ট্রান্সফর্মার হল একটি ইলেকট্রো-স্ট্যাটিক যন্ত্র যা কোনো বিদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই তড়িৎচৌম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে এক কয়েল থেকে আরেক কয়েলে ভোল্টেজ আবেশিত করে। এটি তড়িৎচৌম্বকীয় আবেশের মূলনীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে। ট্রান্সফরমার এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ এর ভোল্টেজ বাড়ানো কিংবা কমানো যায়।


ট্রান্সফরমার দুটি কয়েল নিয়ে গঠিত, একটিকে বলা হয় প্রাইমারি কয়েল এবং অপরটিকে সেকেন্ডারি কয়েল। প্রাইমারি কয়েলটিতে পরিবর্তনশীল ভোল্টেজ (AC ভোল্টেজ) প্রয়োগ করা হয়, যা একটি পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। এই চৌম্বক ক্ষেত্রটি সেকেন্ডারি কয়েলে একটি ইএমএফ (ইলেক্ট্রোমোটিভ ফোর্স) উৎপন্ন করে। উৎপন্ন ইএমএফ এর মান প্রাইমারি কয়েল এবং সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাচ সংখ্যার অনুপাতের উপর নির্ভর করে।


ট্রান্সফরমার বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে:

  • বিদ্যুৎ পরিবহন: ট্রান্সফরমার বিদ্যুৎ ট্রান্সমিশন এবং ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবস্থায় অনেক গুরুত্বপূর্ন। এক্ষেত্রে ট্রান্সফরমার ব্যবহৃত হয় বিদ্যুতের ভোল্টেজকে কমাতে বা বাড়াতে, যা এটিকে দূরবর্তী স্থানে পরিবহন করা সহজ করে তোলে।
  • ইলেকট্রনিক ডিভাইস: ট্রান্সফরমার ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলিতে লো ভোল্টেজ সাপ্লাই করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন রেডিও, টেলিভিশন এবং মোবাইল ফোন।


ট্রান্সফরমার বিভিন্ন সাইজের হয়ে থাকে। ছোট ট্রান্সফরমারগুলি সাধারণত ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলিতে ব্যবহৃত হয় এবং বড় ট্রান্সফরমারগুলি বিদ্যুৎ ট্রান্সমিশন এবং ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়।

avatar
+২ টি ভোট
ট্রান্সফরমার শর্ট সার্কিট টেস্টে কোন সাইডে সর্ট সার্কিট করা হয় এবং কেন?

ট্রান্সফরমার শর্ট সার্কিট টেস্টে সাধারণত লো ভোল্টেজ সাইডে শর্ট সার্কিট করা হয়। কারণ, এই সাইডে শর্ট সার্কিট করলে ট্রান্সফরমারের ইন্ডাক্ট্যান্সের প্রভাব কম হয়। ফলে, ট্রান্সফরমারের কপার লস সহজেই নির্ণয় করা যায়।


ট্রান্সফরমার শর্ট সার্কিট টেস্টের সময়, লো ভোল্টেজ সাইডে একটি রেজিস্টর ব্যবহার করে শর্ট সার্কিট করা হয়। এই রেজিস্টরের মান ট্রান্সফরমারের রেটেড কারেন্টের চেয়ে কম হয়। ফলে, ট্রান্সফরমারের রেটেড কারেন্ট প্রবাহিত হয় এবং কপার লস নির্ণয় করা যায়।


হাই ভোল্টেজ সাইডে শর্ট সার্কিট করলে, ট্রান্সফরমারের ইন্ডাক্ট্যান্সের প্রভাব বেশি হয়। ফলে, ট্রান্সফরমারের কপার লস নির্ণয় করা কঠিন হয়। এছাড়াও, হাই ভোল্টেজ সাইডে শর্ট সার্কিট করলে, ট্রান্সফরমারের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে।


ট্রান্সফরমার শর্ট সার্কিট টেস্টের মাধ্যমে নিম্নলিখিত পরামিতিগুলি নির্ণয় করা যায়:

  • ট্রান্সফরমারের কপার লস
  • ট্রান্সফরমারের সমতুল্য ইম্পিড্যান্স
  • ট্রান্সফরমারের ইফিসিয়েন্সি

  • ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ রেগুলেশন


এই পরামিতিগুলি ট্রান্সফরমারের অবস্থা এবং কার্যক্ষমতা নির্ণয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

avatar
+২ টি ভোট
ক্যাপাসিটিভ লোডের সাথে ইন্ডাকটিভ লোড সংযোগ করলে পাওয়ার ফ্যাক্টর বাড়বে নাকি কমবে?
ক্যাপাসিটিভ লোডের সাথে ইন্ডাকটিভ লোড সংযোগ করলে পাওয়ার ফ্যাক্টর বাড়বে।


ক্যাপাসিটিভ লোডের ক্ষেত্রে কারেন্ট ভোল্টেজ থেকে লিডিং হয়। অপরদিকে ইন্ডাকটিভ লোডের ক্ষেত্রে কারেন্ট ভোল্টেজ থেকে ল্যাগিং হয়। ফলে উভয় লোডের বিপরীত প্রতিক্রিয়ায় ভোল্টেজ এবং কারেন্ট এর মধ্যে কোনের পার্থক্য ০ এর কাছাকাছি চলে আসে, আর পাওয়ার ফ্যাক্টর যেহেতু ভোল্টেজ এবং কারেন্ট এর মধ্যবর্তী কোনের কোসাইন (cos) এর মান, তাই পাওয়ার ফ্যাক্টর বৃদ্ধি পায় (যেহেতু cos এর ক্ষেত্রে কোন ছোট হলে মান বৃদ্ধি পায়)।


নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, ক্যাপাসিটিভ লোডের রিয়্যাক্ট্যান্স যদি ইন্ডাকটিভ লোডের রিয়্যাক্ট্যান্স এর সমান হয়, তাহলে মোট রিয়্যাক্ট্যান্স শূন্য হবে এবং পাওয়ার ফ্যাক্টর ইউনিটি হবে।


উদাহরণস্বরূপ, ধরুন একটি ক্যাপাসিটিভ লোডের ফলে যদি কারেন্ট ৯০° লিডিং হয় এবং একটি ইন্ডাকটিভ লোডের ফলে যদি কারেন্ট ৯০° ল্যাগিং হয় তাহলে এই দুটি লোডকে একসাথে সংযোগ করলে, নেট কোন হবে ০°। ফলে পাওয়ার ফ্যাক্টর হবে ১।

+৩ টি ভোট
আব্বাসীয় খিলাফতের উত্থান হয় কখন? বিস্তারিত জানতে চাই।

আব্বাসীয় খিলাফতের উত্থান হয় ৭৫৮ খ্রিস্টাব্দে।


আব্বাসীয় খিলাফত সম্প্রতি আরব প্রান্তে ইসলামী আদেশবদ্ধতার একটি বিশাল সম্পদ ছিল। এই খিলাফত যথেষ্ট সামরিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অতি প্রভাবশালী ছিল। আব্বাসীয় খিলাফতের বর্ষগুলোতে আরব সাম্রাজ্যকে প্রশাসন করার জন্য মুগল সাম্রাজ্যের সাধারণের দশগুলো কর্মকাণ্ডের উন্নতি হয়। এছাড়াও বারবার তাক্ত মেহদী, জা'ফর মামুন এবং মাহমূদ সাম্রাজ্যদূতের সাহায্যে মাগধ এবং বিহারের জয় উত্থান করেছিলেন আব্বাসীয় খিলাফত। আব্বাসীয় খিলাফতই ইসলামী রাজনীতির প্রায় সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং সাধারণ সম্পদ সম্পন্ন দল।

avatar
+২ টি ভোট
পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান কত হতে কত পর্যন্ত হতে পারে?
পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান ০ থেকে ১ পর্যন্ত হতে পারে।


পাওয়ার ফ্যাক্টর হলো অ্যাক্টিভ/প্রকৃত পাওয়ার এবং অ্যাপ্যারেন্ট/মোট ব্যয়কৃত পাওয়ার এর অনুপাত। ০ বলতে বোঝায় লোড সম্পূর্ণরূপে রিয়্যাক্টিভ, অর্থাৎ বিদ্যুৎ দ্বারা প্রকৃত কোনো কাজ সম্পন্ন হচ্ছে না। ১ বলতে বোঝায় লোড সম্পূর্ণরূপে রিয়েল, অর্থাৎ বিদ্যুৎ সম্পূর্ণরূপে প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।


সাধারণত, পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান ০.৮ থেকে ১ এর মধ্যে থাকে। পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান যত বেশি হবে, তত বেশি বিদ্যুৎ প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহৃত হবে। পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান কম হলে, বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় অপচয় হয়।


পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান উন্নত করার জন্য ক্যাপাসিটর ব্যাংক ব্যবহার করা হয়। ক্যাপাসিটর ব্যাংক লোডের রিয়্যাক্টিভ কারেন্টকে কমিয়ে পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান বাড়ায়।

avatar
+২ টি ভোট
লোডশেডিং বলতে কি বুঝায়?
লোডশেডিং বলতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের তুলনায় চাহিদার ঘাটতি পূরণের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখাকে বোঝায়। সাধারণত, লোডশেডিং করা হয় যখন বিদ্যুতের উৎপাদন বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় কম থাকে। এটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন জ্বালানির অভাব, বিদ্যুৎ উৎপাদনের যন্ত্রপাতি বিকল হওয়া, বা বিদ্যুৎ গ্রিডের ক্ষমতা সীমিত হওয়া।

লোডশেডিংয়ের ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়, যা জনজীবনে অসুবিধার সৃষ্টি করে। লোডশেডিংয়ের সময় মানুষ বিদ্যুৎনির্ভর যন্ত্রপাতি, যেমন ফ্যান, টেলিভিশন, কম্পিউটার ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারে না। এটি গরম আবহাওয়ায় বিশেষ করে অসুবিধাজনক।

লোডশেডিং রোধের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি।

বাংলাদেশে লোডশেডিং একটি সাধারণ ঘটনা। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসের হিসাবে, বাংলাদেশে দিনে গড়ে ৫ ঘন্টা লোডশেডিং হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের মাত্রা বিভিন্ন এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।

আপনার এলাকায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা কত তা জানতে আপনি আপনার বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
avatar
+২ টি ভোট
পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান সর্বোচ্চ কত হতে পারে?

পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান সর্বোচ্চ "১" হতে পারে।


পাওয়ার ফ্যাক্টর হল একটিভ পাওয়ার এবং এ্যপারেন্ট পাওয়ারের অনুপাত। একটিভ পাওয়ার হল বিদ্যুতের প্রকৃত ব্যবহার। এ্যপারেন্ট পাওয়ার হল বিদ্যুৎ সরবরাহকারী তারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মোট বিদ্যুৎ।


পাওয়ার ফ্যাক্টর ১ হলে, একটিভ পাওয়ার এবং এ্যপারেন্ট পাওয়ার সমান হবে। অর্থাৎ, বিদ্যুৎ সরবরাহকারী তারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মোট বিদ্যুৎই প্রকৃত ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হবে।


তবে, বাস্তব ক্ষেত্রে পাওয়ার ফ্যাক্টর ১ এর কাছাকাছি থাকে। কারণ, অনেক ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, যেমন মোটর, ফ্যান, কম্পিউটার ইত্যাদি বিদ্যুৎ ব্যবহারের সময় ইন্ডাক্টান্স এবং ক্যাপাসিট্যান্স উভয়ই প্রদর্শন করে। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী তারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মোট বিদ্যুৎ এবং প্রকৃত ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত বিদ্যুতের মধ্যে একটি পার্থক্য তৈরি হয়।


পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নত করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, যেমন:


  • সার্কিটের ইন্ডাক্টান্স এবং ক্যাপাসিট্যান্স ব্যালেন্স অবস্থায় রাখা।
  • লাইফ সাইকেল কন্ট্রোল এবং পকেট সার্কিট ব্যবহার করা।
  • প্রয়োজনে ক্যাপাসিটর এবং ইনডাক্টর ব্যবহার করা।


পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নত করার ফলে বিদ্যুৎ অপচয় হ্রাস পায় এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

avatar
+২ টি ভোট
ইন্ডাক্টিভ লোডের সাথে ক্যাপাসিটিভ লোড সংযোগ করলে পাওয়ার ফ্যাক্টর বাড়বে নাকি কমবে?
ইন্ডাক্টিভ লোডের সাথে ক্যাপাসিটিভ লোড সংযোগ করলে পাওয়ার ফ্যাক্টর বাড়বে। 


ইন্ডাক্টিভ লোডের জন্য পাওয়ার ফ্যাক্টর ল্যাগিং হয় অন্যদিকে ক্যাপাসিটিভ লোডের জন্য পাওয়ার ফ্যাক্টর লিডিং হয়ে থাকে। ফলে ইন্ডাক্টিভ লোডের সাথে ক্যাপাসিটিভ লোড সংযোগ করলে দুটি লোডের বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া মিলে পাওয়ার ফ্যাক্টর বৃদ্ধি পায়।


ইন্ডাক্টিভ লোডের জন্য, কারেন্ট ভোল্টেজের সাথে পিছিয়ে থাকে। ক্যাপাসিটিভ লোডের জন্য, কারেন্ট ভোল্টেজের সাথে এগিয়ে থাকে। এই বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়ায় পাওয়ার ফ্যাক্টর 1-এর কাছাকাছি আসে।


পাওয়ার ফ্যাক্টর বাড়ানোর জন্য ইন্ডাক্টিভ লোডের সাথে ক্যাপাসিটিভ লোড হিসেবে ক্যাপাসিটর বা ক্যাপাসিটর ব্যাংক ব্যবহার করা হয়ে থাকে।


উদাহরণস্বরূপ, বড় বড় ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক মোটর ব্যবহার করা হয়। মোটর একটি ইন্ডাক্টিভ লোড, ফলে পাওয়ার ফ্যাক্টর ল্যাগিং হয়। তাই ইন্ডাস্ট্রিতে পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভ এর জন্য ক্যাপাসিটর ব্যাংক ব্যবহার করা হয়।


বাংলাদেশে, পাওয়ার ফ্যাক্টর 0.9 এর বেশি হলে ভাল বলে বিবেচিত হয়।

২৬৯ টি প্রশ্ন

২৬১ টি উত্তর

২৯ টি মন্তব্য

৩৮ জন সদস্য

এই মাসের সেরা সদস্যগন

    Nobody yet this month.

    সাম্প্রতিক ব্যাজ সমুহ

    alaminhossain ১৯ একটি ব্যাজ পেয়েছেন
    easoyeb ১৩ ৫৩ ২২০ একটি ব্যাজ পেয়েছেন
    whoever ১৩ ৪৯ ২০৮ একটি ব্যাজ পেয়েছেন
    ShafiqulIslam একটি ব্যাজ পেয়েছেন
    admin ৫০ একটি ব্যাজ পেয়েছেন
    ...